Posts

Showing posts with the label জানা অজানা

রেলকর্মীদের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে নিয়ে কিছু কথা

Image
রেল কর্মীদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আজ বলার কথা ছিল। এক্ষেত্রে সবার প্রথমেই সেই সমস্ত স্টাফেদের কথা বলতে হবে যাদের কে Continuous ক্যাটেগরি তে রাখা হয়। যেমন, ক্লার্ক, স্টেশন মাস্টার, গুডস গার্ড, ড্রাইভার ,টিসি, টিটি ইত্যাদি ইত্যাদি। এই সমস্ত পোস্ট এ কর্মরত স্টাফেদের ডিউটি প্রতিদিন আট ঘন্টা করে হয় এবং সপ্তম দিন ২৪ ঘন্টার রেস্ট দেওয়া হয়। এরপরেই আসে সেই সমস্ত স্টাফেরা যাদের ডিউটি ১২ ঘণ্টার। এবং তারপর তাদের সপ্তাহে দুদিন বিশ্রাম দেওয়া হয়। এই ধরনের স্টাফেদের Essential entermittant staff বলা হয়। যেমন, গেটকিপার, চৌকিদার, এবং এই রকম আরো অনেক কিছু। এরপর আছে এমন কিছু স্টাফ যাদের কে Intensive গ্রুপে রাখা হয়। এদের ডিউটি ৬ ঘন্টার। এই ছয় ঘন্টা তাদের কে ভীষণ সতর্কভাবে নিজের ডিউটি পালন করতে হয়। কেননা এরা ট্রেন পরিচালন এবং নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করেন। এদের ক্ষেত্রে ও সাপ্তাহিক বিশ্রাম প্রযোজ্য। যেমন, ট্রাফিক কন্ট্রোলার, কোচিং কন্ট্রোলার ইত্যাদি ইত্যাদি। এর পরে আসে Excluded ক্যাটেগরি ভুক্ত স্টাফ। এদের Rest schedule নির্দিষ্ট নয়। আর না তো ঘন্টার হিসেবে এদের ডিউটি দেওয়া হয়। এ...

গ্যাংস্টার সম্রাট দাউদ ইব্রাহিম

Image
১৯৯৩ এর সিরিয়াল মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণ... যে বিস্ফোরণে ১৪০০ জন মানুষ আহত হন এবং ২৫৭ জন মারা যায়। সেই সময় এই বিস্ফোরণ সমগ্র ভারতবর্ষ কে স্তম্ভিত করে দেয়। এই বিস্ফোরণের সাথে-সাথে আরো একটি নাম প্রকাশ পেতে শুরু করে যে নাম ছিল "দাউদ ইব্রাহিম" এই বিস্ফোরণের ২৭ বছর পরে আজও এই আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন কে ধরা সম্ভব হয়নি। ভারতের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানের করাচি শহরে লুকিয়ে রয়েছে। এই ২৭ বছরে ভারত সরকার অনেকবার মানুষ কে এই বলে আশ্বস্ত করেছে যে দাউদ ইব্রাহিম কে জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে ভারতে নিয়ে আসা হবে। কিন্তু আজ অব্দি কোন সরকার ই এই কাজে সফল হয়নি। ১৯৯০ এর দশকে দাউদ ইব্রাহিম প্রথমে পাঠান গ্যাং কে শেষ করে। যার পর দাউদ ইব্রাহিমের আধিপত্য সমগ্র মুম্বাই তে বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে দাউদ ইব্রাহিম ক্রাইম এর সিঁড়ি চড়তে থাকে একটা সময় পরে মুম্বাইয়ের ডন হয়ে যায়। যদিও সেই সময় দাউদ ইব্রাহিম কে বহুবার গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু সেই সময় মুম্বাইয়ের মানুষ তার ত্রাস বা ভয়ের কারণে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে চাইতো ন...